অগোছালো ডিজিটাল জীবন থেকে মুক্তি পেতে স্মার্টফোন ও ল্যাপটপ গুছিয়ে রাখার ৩টি সহজ উপায়

আমাদের বর্তমান জীবনের একটি বড় অংশ কাটে ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনের স্ক্রিনে। ঘরের চারপাশ অগোছালো থাকলে যেমন আমাদের মনে এক ধরনের চাপ তৈরি হয়, ঠিক তেমনি আমাদের ডিজিটাল ডিভাইসগুলো অগোছালো থাকলেও কাজের গতি কমে যায় এবং মানসিক ক্লান্তি বাড়ে।

ডিভাইসগুলোকে একটু গুছিয়ে রাখলে প্রতিদিনের কাজগুলো অনেক সহজ ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে। চলুন জেনে নিই ডিজিটাল লাইফ পরিপাটি রাখার ৩টি সহজ উপায়:

১. অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ ও ফাইল মুছে ফেলা
আমাদের ফোনে বা ল্যাপটপে এমন অনেক অ্যাপ বা ফাইল থাকে, যা মাসের পর মাস ব্যবহার করা হয় না। সপ্তাহে অন্তত একদিন সময় করে এই অপ্রয়োজনীয় ফাইলগুলো ডিলিট করে দিন। ডিভাইসের হোম স্ক্রিন যত বেশি ক্লিন বা পরিষ্কার থাকবে, কাজ করতে তত বেশি ভালো লাগবে এবং ডিভাইসের স্পিডও ভালো থাকবে।

২. সুন্দর মুহূর্তের ছবিগুলো নিরাপদে ব্যাকআপ রাখা
ফোনের গ্যালারিতে হাজার হাজার এলোমেলো ছবি জমিয়ে না রেখে, সবচেয়ে সুন্দর মেমোরিগুলো আলাদা করে ফোল্ডার করে গুছিয়ে রাখুন। ছবি তোলার সময় বা এডিট করার সময় ১৬:৯ (16:9) রেশিও ব্যবহার করতে পারেন, যাতে পরে টিভিতে বা বড় স্ক্রিনে পরিবারের সাথে দেখার সময় দারুণ সিনেমাটিক ভিউ পাওয়া যায়। আর এই প্রিয় স্মৃতিগুলো যেন কখনোই হারিয়ে না যায়, সেজন্য কোনো ভালো ক্লাউড স্টোরেজে সবকিছুর একটি নিরাপদ ব্যাকআপ রাখা খুবই বুদ্ধিমানের কাজ।

৩. কাজের বাইরে নোটিফিকেশন নিয়ন্ত্রণ করা
সারাদিন টুং-টাং নোটিফিকেশনের শব্দ আমাদের মনোযোগ নষ্ট করে এবং অকারণে মানসিক চাপ বাড়ায়। কাজের সময় বাদে অন্যান্য সময়ে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বা সোশ্যাল মিডিয়ার নোটিফিকেশন সাইলেন্ট করে রাখুন। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে বা পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সময় ডিভাইসকে ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ (Do Not Disturb) মোডে রাখলে দারুণ মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যায়।

আমাদের চারপাশে যেমন পরিচ্ছন্নতা দরকার, তেমনি আমাদের ডিজিটাল জীবনেও পরিচ্ছন্নতা জরুরি। আজ থেকেই নিজের ফোন বা ল্যাপটপটি একটু গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন, দেখবেন কাজের একঘেয়েমি অনেকটাই কমে গেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top